তবে কি আমরা নিরন্তর ছুটে চলছি!!
পৃ থিবীর একরকম ব্যক্তিগত বডিগার্ড হলো আমাদের চাঁদ।কথাটি শুনতে কাব্যিক মনে হলেও, এর ভেতরে লুকিয়ে আছে গভীর বৈজ্ঞানিক সত্য। আমাদের প্রিয় চাঁদ শুধু রাতের আকাশে সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং এটি পৃথিবীর স্থিতিশীলতা, জীবনধারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি বিবর্তনের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকবচ। প্রথমত, চাঁদ পৃথিবীর axial tilt স্থিতিশীল রাখে। আজ পৃথিবীর অক্ষ প্রায় ২৩.৫ ডিগ্রি কোণে হেলে আছে। এই ঝোঁকের কারণেই আমরা ঋতু পরিবর্তন দেখি। কিন্তু চাঁদ না থাকলে এই ঝোঁক ভয়ঙ্করভাবে দুলতে পারত, যেমনটা দেখা যায় মঙ্গল গ্রহে। এর ফলে পৃথিবীর জলবায়ু হতো অত্যন্ত অস্থির। কখনো তীব্র শীত, কখনো চরম গরম, যা জীবনের জন্য মারাত্মক হতো। দ্বিতীয়ত, চাঁদ সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা নিয়ন্ত্রণ করে। এই tidal forces শুধু সমুদ্রের পানি ওঠানামা করায় না, বরং পৃথিবীর ঘূর্ণন ধীর করে এবং জীববৈচিত্র্যের বিকাশে ভূমিকা রাখে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, প্রাচীন পৃথিবীতে এই জোয়ার-ভাটার পরিবর্তনই জীবনের প্রথম রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলোর পরিবেশ তৈরি করেছিল। তৃতীয়ত, চাঁদ একটি গ্র্যাভিটেশনাল শিল্ড হিসেবেও কাজ করে। অনেক উল্কাপিণ্ড ও ধ্বংসাবশেষ, যা পৃথিবীর দিকে আসতে পারত, তার কিছ...